ওয়েব ডেভেলপমেন্টের “অ আ ক খ” শেখানো থেকে আপনাকে পরিপূর্ণ একজন ওয়েব ডেভেলপার হিসেবে গড়ে তোলার দায়িত্ব এবার আমাদের। ৬ মাসের এই প্রোগ্রামে জেনে নিন ওয়েব ডেভেলপিং ল্যাঙ্গুয়েজ ও সফটওয়্যারের খুঁটিনাটি।
জুম আইটি ট্রেনিং সেন্টার জুম আইটির একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান। জুম আইটি একটি আইটি বেজড ওয়েব ডিজাইন ডেভেলপমেন্ট ও সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান। আমাদের সকল কোর্স চার মাস মেয়াদী এবং ৪ মাস কাজ শেখার পর দুই মাস প্র্যাক্টিকাল কাজ করার মাধ্যমে স্টুডেন্টদেরকে এক্সপার্ট করে তোলা হয় । যাদের কাছে কম্পিউটার নেই তাদের জন্য রয়েছে সল্প খরচে অফিসের কম্পিউটার এ প্র্যাকটিস করার ব্যবস্থা ।
একজন জুনিয়র ওয়েব ডেভেলপার হিসেবে চাকরি পাওয়ার জন্য যা যা লাগে তার সবকিছুই ধরে ধরে শিখানো হবে এই কোর্সগুলিতে। সো, এই কোর্স ভালোভাবে ফিনিশ করলে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট সম্পর্কে আর কোথাও কোন কোর্স না করেই ইন্টার্ন বা চাকরির চেষ্টা শুরু করে দিতে পারবে।
বর্তমানে আউটসোর্সিং মার্কেটগুলোতে বাংলাদেশি তরুণেরা যেমন ঘরে বসে লাখ টাকা আয় করছেন তেমনি বহিবিশ্বে বাংলাদেশের সুনাম ছড়িয়ে দিচ্ছেন। ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসগুলোতে বাংলাদেশীরা সবচেয়ে বেশী যেইসব কাজ করছেন তার মধ্যে ওয়েব ডিজাইন-ডেভেলপিং অন্যতম। প্রত্যেকটা স্টুডেন্টকে সফল ফ্রীল্যান্সার হিসেবে গড়ে তোলাই আমাদের অন্যতম উদ্দেশ্য এজন্য আগে স্কিল ডেভেলপ , তারপর প্রফেশনাল কাজ করে অভিজ্ঞতা অর্জন।
আমরা স্টুডেন্টদের কোর্স সম্পর্কিত সাধারণ জিজ্ঞাসা শুনে সঠিক নির্দেশনা দিয়ে থাকি পাশাপাশি ক্লাস শেষ হওয়ার পর স্টুডেন্টদের ওই দিনের ভিডিও টিউটোরিয়াল বানিয়ে দেই।
অনেক আইটি ট্রেনিং সেন্টার এ ক্লাসের সংখ্যা থাকে ৩০টির মত যেকানে মাত্র ২ দিনে HTML শেষ করে, CSSও ২দিনে শেষ করে। HTML CSS কি? খায় না মাথায় দেয় এটি বুঝতেই সময় লাগবে ২ সপ্তাহের মত। ফলাফল যেটা হয় ওই সকল ট্রেনিং সেন্টার এর ক্লাস গুলি সব মাথার উপর দিয়ে যায়। এজন্য আমরা নতুনদের কথা মাথায় রেখেই আমাদের কোর্সগুলিতে ক্লাস সংখ্যা বেশি রেখেছি ।
ফ্রিল্যান্সিং এর কথা বলে যে যেভাবে পারছে কোর্স ফি রাখছে অথচ একটা গরিব ছেলের সামর্থ্য থাকেনা অত টাকা দিয়ে কোর্স করার। আর তাই আমরা বেকারত্ব দূরীকরণে সেবার মানসিকতা নিয়ে যে কোর্স ফি নিরূপণ করেছি তা একটি বেকার ছেলের মোবাইল বিল অথবা পকেট খরচ সমপরিমাণ।
অনেক আইটি ট্রেনিং সেন্টার এককালীন পেমেন্ট বা দুই ইন্সটলমেন্টে টাকা নেয়, অত টাকা একসাথে যোগাড় করা অনেকের পক্ষে প্রায় অসম্ভব। তাই আমাদের মাসিক পেমেন্ট সিস্টেম অনেক বেকারের স্বপ্ন পুরনে সহায়ক হবে।
আমাদের কোর্স ফি হয়ত অনেকেই দিতে পারবে কিন্তু সবার তো আর কম্পিউটার নেই । তাই বলে কি তারা তাদের কোর্স করতে পারবে না? পারবে। যাদের কম্পিউটার নেই তাদের জন্যও রয়েছে সল্প খরচে (মাসে ৩০০ টাকা) অফিসের কম্পিউটার এ প্র্যাকটিস করার ব্যবস্থা ।
হুম! তারপরও কিছু জিজ্ঞাসা, কিছু সন্দেহ রয়েই যাচ্ছে, তাই না? নিচের প্রশ্নের উত্তরগুলোর সাথে মিলিয়ে দেখুন তো, সমস্যার সমাধান হয় কী না!
আমাদের সাথে যোগাযোগের অনেকগুলি উপায় রয়েছে। কন্টাক্ট ফর্মে চাইলে কিছু লিখতে পারেন অথবা কল করতে পারেন অথবা ইমেইলও করতে পারেন, বেছে নিতে পারেন যেটিতে আপনার স্বাচ্ছন্দ্যবোধ হয়।